মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

কী সেবা কীভাবে পাবেন

ভোটার তালিকা সংক্রান্ত :

ভোটার তালিকায় নাম অন্তভুক্তি

ভোটার তালিকায় নাম স্থানান্তর


 

জাতীয় পরিচয়পত্র সংক্রান্ত :

জাতীয় পরিচয়পত্র সংশোধন

হারানো জাতীয় পরিচয়পত্রের ডুপ্লিকেট ইস্যু

 

কি সেবা কিভাবে পাবেন

ক্রমিক নং

সেবা সমূহ/সেবার নাম

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা/ কর্মচারী

সেবা প্রদানের পদ্ধতি

সেবা প্রদানের প্রয়োজনীয় সময়

সেবা প্রদানের প্রয়োজনীয় ফি

সংশ্লিষ্ট আইন/বিধি

বিধান

সেবা প্রদানে ব্যর্থ হলে প্রতিকারের বিধান

০১

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভূক্তি ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান।

উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও সহকারী রেজিস্ট্রেশন অফিসার।

নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের সময় বাড়ী বাড়ী তথ্য সংগ্রহ করে নাম অন্তর্ভূক্ত করা হয় ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদান করা হয়।

প্রবাসীদের ক্ষেত্রে ১১নং ও ২নং ফরম পূরণ করে পাসপোর্টের ফটোকপি ও অন্যান্য ইউটিলিটি বিলের কপিসহ আবেদন করলে যোগ্য প্রার্থীদের নাম অন্তর্ভূক্তির জন্য জেলা কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়।

হালনাগাদ কার্যক্রম চলাকালীন সময়

প্রবাসী ভোটারদের ক্ষেত্রে আবেদনপত্র তদন্ত শেষে জেলা কার্যালয়ে প্রেরণ করা হলে প্রায় মাস খানেক সময় প্রয়োজন হয়।

কোন ফি প্রয়োজন হয় না।

 

নির্ধারিত সময়ে নাম অন্তর্ভূক্ত করতে ব্যর্থ হলে বা খসড়া প্রকাশিত তালিকায় ভুল ভ্রান্তি পরিলক্ষিত হলে আপীল কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করা যায়।

 

*কিছু প্রশ্ন ও উত্তর*

 

সংশোধন সংক্রান্ত

 

প্রশ্নঃকার্ডেরতথ্যকিভাবেসংশোধনকরাযায়?
উত্তরঃ এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে ভুল তথ্য সংশোধনের জন্য আবেদন করতে হবে। সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত উপযুক্ত দলিলাদি আবেদনের সাথে সংযুক্ত করতে হবে।

প্রশ্নঃকার্ডেকোনসংশোধনকরাহলেতারকিকোনরেকর্ডরাখাহবে?
উত্তরঃ সকল সংশোধনের রেকর্ড সেন্ট্রাল ডাটাবেজে সংরক্ষিত থাকে।

প্রশ্নঃভুলক্রমেপিতা/স্বামী/মাতাকেমৃতহিসেবেউল্লেখকরাহলেসংশোধনেরজন্যকিকিসনদদাখিলকরতেহবে?
উত্তরঃ জীবিত পিতা/স্বামী/মাতাকে ভুলক্রমে মৃত হিসেবে উল্লেখ করার কারণে পরিচয়পত্র সংশোধন করতে হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পরিচয়পত্র দাখিল করতে হবে।

প্রশ্নঃআমিঅবিবাহিতআমারকার্ডেপিতানালিখেস্বামীলেখাহয়েছেকিভাবেতাসংশোধনকরাযাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আপনি বিবাহিত নন মর্মে প্রমাণাদিসহ আবেদন করতে হবে।

প্রশ্নঃবিয়েরপরস্বামীরনামসংযোজনেরপ্রক্রিয়াকি?
উত্তরঃ নিকাহনামা ও স্বামীর আইডি কার্ড এর ফটোকপি সংযুক্ত করে NID Registration Wing/ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর আবেদন করতে হবে।

প্রশ্নঃবিবাহবিচ্ছেদহয়েগেছেএখনID Card থেকেস্বামীরনামবিভাবেবাদদিতেহবে?
উত্তরঃ বিবাহ বিচ্ছেদ সংক্রান্ত দলিল (তালাকনামা) সংযুক্ত করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।

প্রশ্নঃবিবাহবিচ্ছেদেরপরনতুনবিবাহকরেছিএখনআগেরস্বামীরনামেরস্থলেবর্তমানস্বামীরনামকিভাবেসংযুক্তকরতেপারি?
উত্তরঃ প্রথম বিবাহ বিচ্ছেদের তালাকনামা ও পরবর্তী বিয়ে কাবিননামাসহ সংশোধন ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে।

প্রশ্নঃআমিআমারপেশাপরিবর্তনকরতেচাইকিন্তুকিভাবেকরতেপারি?
উত্তরঃ এনআইডি রেজিস্ট্রেশন উইং/উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে প্রামাণিক কাগজপত্র দাখিল করতে হবে। উলেখ্য, আইডি কার্ডে এ তথ্য মুদ্রণ করা হয় না।

প্রশ্নঃআমারID Card এরছবিঅস্পষ্ট, ছবিপরিবর্তনকরতেহলেকিকরাদরকার?
উত্তরঃ এক্ষেত্রে নিজে সরাসরি উপস্থিত হয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

১০প্রশ্নঃনিজ/পিতা/স্বামী/মাতারনামেরবানানসংশোধনকরতেআবেদনেরসাথেকিকিদলিলজমাদিতেহবে?
উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, জন্ম সনদ, পাসপোর্ট, নাগরিকত্ব সদন, চাকুরীর প্রমাণপত্র, নিকাহ্‌নামা, পিতা/স্বামী/মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি জমা দিতে হয়।

১১প্রশ্নঃনিজেরডাকনামবাঅন্যনামেনিবন্ধিতহলেসংশোধনেরজন্যআবেদনেরসাথেকিকিদলিলজমাদিতেহবে?
উত্তরঃ এসএসসি/সমমান সনদ, বিবাহিতদের ক্ষেত্রে স্ত্রী/ স্বামীর জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপি, ম্যাজিট্রেট কোর্টে সম্পাদিত এফিডেভিট ও জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি,ওয়ারিশ সনদ,ইউনিয়ন/পৌর বা সিটি কর্পোরেশন হতে আপনার নাম সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্র।

১২প্রশ্নঃপিতা/মাতাকেমৃতউল্লেখকরতেচাইলেকিকিসনদদাখিলকরতেহয়?
উত্তরঃ পিতা/মাতা/স্বামী মৃত উল্লেখ করতে চাইলে মৃত সনদ দাখিল করতে হবে।

১৩প্রশ্নঃঠিকানাকিভাবেপরিবর্তন/ সংশোধনকরাযায়?
উত্তরঃ শুধুমাত্র আবাসস্থল পরিবর্তনের কারনেই ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য বর্তমানে যে এলাকায় বসবাস করছেন সেই এলাকার উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসে ফর্ম ১৩ এর মাধ্যমে আবেদন করা যাবে। তবে একই ভোটার এলাকার মধ্যে পরিবর্তন বা ঠিকানার তথ্য বা বানানগত কোন ভুল থাকলে সাধারণ সংশোধনের আবেদন ফরমে আবেদন করে সংশোধন করা যাবে।

১৪প্রশ্নঃআমিবৃদ্ধঅত্যন্তদরিদ্রফলেবয়স্কভাতাবাঅন্যকোনভাতাখুবপ্রয়োজনকিন্তুনির্দিষ্টবয়সনাহওয়ারফলেকোনসরকারীসুবিধাপাচ্ছিনালোকেবলেID Card –বয়সটাবাড়ালেসকলভাতাপাওয়াযাবে?
উত্তরঃ ID Card এ প্রদত্ত বয়স প্রামাণিক দলিল ব্যতিত পরিবর্তন সম্ভব নয়। উল্লেখ্য, প্রামানিক দলিল তদন্ত ও পরীক্ষা করে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

১৫প্রশ্নঃএকইপরিবারেরবিভিন্নসদস্যেরকার্ডেপিতা/মাতারনামবিভিন্নভাবেলেখাহয়েছেকিভাবেতাসংশোধনকরাযায়?
উত্তরঃ সকলের কার্ডের কপি ও সম্পর্কের বিবরণ দিয়ে NID Registration Wing/ উপজেলা/ জেলা নির্বাচন অফিস বরাবর পর্যাপ্ত প্রামাণিক দলিলসহ আবেদন করতে হবে।

১৬প্রশ্নঃআমিপাশনাকরেওঅজ্ঞতাবশতঃশিক্ষাগতযোগ্যতাএসএসসিবাতদুর্দ্ধলিখেছিলামএখনআমারবয়সবাঅন্যান্যতথ্যাদিসংশোধনেরউপায়কি?
উত্তরঃ আপনি ম্যাজিট্রেট আদালতে এস.এস.সি পাশ করেননি, ভুলক্রমে লিখেছিলেন মর্মে হলফনামা করে এর কপিসহ সংশোধনের আবেদন করলে তা সংশোধন করা যাবে।

১৭প্রশ্নঃID Card অন্যব্যক্তিরতথ্যচলেএসেছেভুলকিভাবেসংশোধনকরাযাবে?
উত্তরঃ ভুল তথ্যের সংশোধনের পক্ষে পর্যাপ্ত দলিল উপস্থাপন করে NID Registration Wing/সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে।এক্ষেত্রে বায়োমেট্রিক যাচাই করার পর সঠিক পাওয়া গেলে সংশোধনের প্রক্রিয়া করা হবে।

১৮প্রশ্নঃরক্তেরগ্রুপঅন্তর্ভূক্তবাসংশোধনেরজন্যকিকরতেহয়?
উত্তরঃ রক্তের গ্রুপ অন্তর্ভুক্ত বা সংশোধন করতে রক্তের গ্রুপ নির্ণয়কৃত ডায়াগনোসটিক রিপোর্ট দাখিল করতে হয়।

১৯প্রশ্নঃবয়স/ জন্মতারিখপরিবর্তনকরারপ্রক্রিয়াকি?
উত্তরঃ এসএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সনদের সত্যায়িত ফটোকপি আবেদনের সাথে জমা দিতে হবে। এসএসসি বা সমমানের সনদ প্রাপ্ত না হয়ে থাকলে সঠিক বয়সের পক্ষে সকল দলিল উপস্থাপনপূর্বক আবেদন করতে হবে। আবেদনের পর বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রয়োজনে ডাক্তারী পরীক্ষা সাপেক্ষে সঠিক নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় সংশোধন করা হবে।

২০প্রশ্নঃস্বাক্ষরপরিবর্তনকরতেচাই, কিভাবেকরতেপারি?
উত্তরঃ নতুন স্বাক্ষর এর নমুনাসহ গ্রহণযোগ্য প্রমাণপত্র সংযুক্ত করে আবেদন করতে হবে। তবে স্বাক্ষর একবারই পরিবর্তন করা যাবে।

২১প্রশ্নঃআমারজন্মতারিখযথাযথভাবেলেখাহয়নি, আমারকাছেপ্রামাণিককোনদলিলনেই, কিভাবেসংশোধনকরাযাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/জেলা নির্বাচন অফিসে আবেদন করতে হবে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

২২প্রশ্নঃএকটিকার্ডকতবারসংশোধনকরাযায়?
উত্তরঃ এক তথ্য শুধুমাত্র একবার সংশোধন করা যাবে। তবে যুক্তিযুক্ত না হলে কোন সংশোধন গ্রহণযোগ্য হবে না।

 

জাতীয় পরিচয়পত্র হারিয়ে গেলে

 

১। প্রশ্নঃ ID Card হারিয়ে গিয়েছে। কিভাবে নতুন কার্ড পেতে পারি?
উত্তরঃ নিকটতম থানায় জিডি করে জিডির মূল কপিসহ সংশ্লিষ্ট উপজেল/থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে অথবা ঢাকায় জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে আবেদন করতে হবে।

২। প্রশ্নঃ হারানো আইডি কার্ড পেতে বা তথ্য সংশোধনের জন্য কি কোন ফি দিতে হয়?
উত্তরঃ এখনো হারানো কার্ড পেতে কোন প্রকার ফি দিতে হয় না। তবে ভবিষ্যতে হারানো আইডি কার্ড পেতে/সংশোধন করতে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফি ধার্য করা হবে।

৩। প্রশ্নঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে করা যায় কি?
উত্তরঃ হারানো ও সংশোধন একই সাথে সম্ভব নয়। আগে হারানো কার্ড তুলতে হবে, পরবর্তীতে সংশোধনের জন্য আবেদন করা যাবে।

৪। প্রশ্নঃ হারিয়ে যাওয়া আইডি কার্ড কিভাবে সংশোধন করব?
উত্তরঃ প্রথমে হারানো আইডি কার্ড উত্তোলন করে তারপর সংশোধনের আবেদন করতে হবে।

৫। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / স্লিপ হারালে করণীয় কি?
উত্তরঃ স্লিপ হারালেও থানায় জিডি করে সঠিক ভোটার আইডি নাম্বার দিয়ে হারানো কার্ডের জন্য আবেদন পত্র জমা দিতে হবে।

৬। প্রশ্নঃ প্রাপ্তি স্বীকারপত্র / ID Card হারিয়ে গেছে কিন্তু কোন Document নেই বা NID নম্বর/ ভোটার নম্বর/ স্লিপের নম্বর নেই, সে ক্ষেত্রে কি করণীয়?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/ থানা/ জেলা নির্বাচন অফিস থেকে Voter Number সংগ্রহ করে NID Registration Wing/ উপজেলা/ থানা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয়ে আবেদন করতে হবে।

৭। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয়পত্রে নেই কিন্তু তথ্য পরিবর্তিত হয়েছে এমন তথ্যাদি পরিবর্তন কিভাবে সম্ভব?
উত্তরঃজাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে এ সংক্রান্ত কাগজপত্রাদি সহ আবেদন করলে যাচাই-বাছাই করে বিবেচনা করা হবে।

৮। প্রশ্নঃ জাতীয় পরিচয় পত্রের মান বর্তমানে তেমন ভালো না এটা কি ভবিষ্যতে উন্নত করার সম্ভাবনা আছে?
উত্তরঃ হ্যাঁ। আগামীতে স্মার্ট আইডি কার্ড প্রদানের জন্য কাযর্ক্রম চলমান আছে যাতে অনেক উন্নত ও আধুনিক ফিচার সমৃদ্ধ থাকবে এবং মান অনেক উন্নত হবে।

১। প্রশ্নঃ আমি যথা সময়ে ভোটার হিসেবে Registration করতে পারিনি। এখন কি করা যাবে?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে যথাযথ কারণ উল্লেখপূর্বক আবেদন করতে পারেন।

২। প্রশ্নঃ আমি বিদেশে অবস্থানের কারণে Voter Registration করতে পারিনি, এখন কিভাবে করতে পারবো?
উত্তরঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা/জেলা নির্বাচন অফিসে বাংলাদেশ পাসপোর্ট-এর অনুলিপিসহ জন্ম সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, এসএসসি (প্রযোজ্যক্ষেত্রে) সনদ, ঠিকানার সমর্থনে ইউটিলিটি বিলের কপি বা বাড়ী ভাড়া বা হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদের কপিসহ আবেদন করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট ফর্মসমূহ পূরণ করতে হবে।

৩। প্রশ্নঃ আমি ২০০৭/২০০৮ অথবা ২০০৯/২০১০ সালে ভোটার রেজিস্ট্রেশন করেছি কিন্তু সেই সময় আইডি কার্ড গ্রহণ করিনি। এখন কিভাবে আইডি কার্ড পেতে পারি?
উত্তরঃ আপনি আপনার ভোটার রেজিস্ট্রেশনের সময় প্রদত্ত প্রাপ্তি স্বীকার পত্রটি নিয়ে যে স্থানে ভোটার হয়েছেন সেই এলাকার উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করুন। যদি সেখানেও না পাওয়া যায় তাহলে প্রাপ্তি রশিদে উপজেলা নির্বাচন অফিসারের মন্তব্যসহ স্বাক্ষর ও সিল দিয়ে জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগে যোগাযোগ করা যাবে।

৪। প্রশ্নঃ ভোটার তালিকার নামের সাথে বিভিন্ন খেতাব, পেশা, ধর্মীয় উপাধি, পদবী ইত্যাদি যুক্ত করা যাবে কিনা?
উত্তরঃ ভোটার তালিকার ডাটাবেজে শুধুমাত্র নাম সংযুক্ত করা হয়, কোন উপাধি বা অর্জিত পদবী তাতে সংযুক্ত করার অবকাশ নাই।

৫। প্রশ্নঃ কোথা হতে ID Card সংগ্রহ করা যাবে?
উত্তরঃ যে এলাকায় ভোটার রেজিস্ট্রেশন করেছেন সেই এলাকার উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস থেকে ID Card সংগ্রহ করা যাবে।

৬। প্রশ্নঃ আমি বিদেশে চলে যাব। আমার কার্ড কি অন্য কেউ উত্তোলন করতে পারবে?
উত্তরঃ হ্যাঁ । আপনার ক্ষমতা প্রাপ্ত প্রতিনিধির যথাযথ ক্ষমতাপত্র ও প্রাপ্তি স্বীকারপত্র (Authorization Letter) নিয়ে তা সংগ্রহ করাতে পারবে।

৭। প্রশ্নঃ কার্ডে ইচ্ছাকৃত ভুল তথ্য দিলে কি হবে?
উত্তরঃ জেল বা জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

৮। জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর ১৩ আবার কারো ১৭ কেন?
উত্তরঃ ২০০৮ এর পরে যত আইডি কার্ড প্রিন্ট করা হচ্ছে বা পুণঃ তৈরি হচ্ছে সে সকল কার্ডের নম্বর ১৭ ডিজিট হয়ে থাকে।
বিঃদ্রঃ  বর্তমান স্মার্ট কার্ডে 10 ডিজিটের হচ্ছে।